তাই শুধু টাকা খরচ করে প্রাইভেট ভার্সিটি থেকে বড় বড় ডিগ্রি অর্জন করলেই হবে না বর্তমান চাকরি বাজারের সাথে সমন্বয় করে সঠিক পড়ালেখার সাবজেক্ট বেছে নিতে হবে যার মাধ্যমে Job Market এ আপনি হবেন most valuable person, তাই আজ এই নিয়েই এই Article।
গার্মেন্টস বা বায়িং হাউসের মার্চেন্ডাইজার: এক সময গার্মেন্টস job শুনলে সবাই নাক ছিটকাতো আর এখন যোগ্যতা না থাকলে এই সেক্টরে চাকরি পাওয়াটাও বেশ কষ্টকর। তাই এই সেক্টর রিলেটেড পড়ালেখা ও Course জানা থাকলে আর পিছনে তাকাতে হবে না। এই সেক্টরে সবচেয়ে চাহিদা সম্পন্ন পদ হল মার্চেন্ডাইজার। একজন মার্চেন্ডাইজার হলেন এমন একজন পেশাদার দক্ষ ব্যক্তি যিনি কোনো পণ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ ও বিক্রি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করেন, যেখানে তিনি বায়ারের সাথে যোগাযোগ, উৎপাদন পরিকল্পনা, মান নিয়ন্ত্রণ, এবং সময়মতো পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই পেশায় ভালো ক্যারিয়ার গড়তে ইংরেজি দক্ষতা ও কম্পিউটার জ্ঞান অপরিহার্য, এবং এটি RMG সেক্টরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়।
এছাড়াও RMG sector এ Pattern Maker এ রয়েছে বিশেষ চাহিদা। এই সকল লাইনে পড়ালেখার জন্য রয়েছে Institute of Fashion & Technology (BIFT) ও Chattogram BGMEA University of Fashion and Technology - CBUFT এখান ডিপ্লোমা বা স্নাতক Complete করতে পারেন।
ডিজিটাল যুগে বদলাচ্ছে চাকরির ধরন। বিশ্বজুড়েই ঘটছে এই পরিবর্তন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে কৃত্রিম মেধার মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে। যা আগামী দিনগুলিতে আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার ফলেই আগামী ১০ বছরে কর্মক্ষেত্রের সামগ্রিক চিত্রও বদলে যাবে অনেকখানি। চাহিদা বাড়বে কিছু বিশেষ কোর্সের। যা এখনই বোঝা যাচ্ছে। এই প্রতিবেদনে সেরকম কিছু কোর্সেরই সন্ধান রইল.
ডেটা সায়েন্স এবং অ্যানালিটিক্স:
বর্তমানে তথ্য বা ডেটাকেই মূলধন হিসাবে বিচার করছে একাধিক বেসরকারি এবং বহুজাতিক সংস্থা। ফলে চাহিদা বাড়ছে ডেটা সায়েন্টিস্ট এবং ডেটা অ্যানালিস্টের। তাই নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু হয়ে গিয়েছে ডেটা সায়েন্স এবং ডেটা অ্যানালিসিস কোর্স। মূলত নানা তথ্য ঘেঁটে দেখা, তা বিশ্লেষণ করা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দিকগুলি কী ভাবে খতিয়ে দেখা যায়, তারই পাঠ দেওয়া হয় কোর্সগুলিতে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, জেনারেটিভ এআই:
কৃত্রিম মেধার ব্যবহার এখন কোনও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের জন্য সীমিত নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে স্বাস্থ্য— সমস্ত ক্ষেত্রেই এর প্রয়োগ চোখে পড়ার মতো। মেশিন লার্নিং এবং জেনারেটিভ এআই— কৃত্রিম মেধারই একটি অংশ। চাকরিক্ষেত্রে এখন মেশিন ইঞ্জিনিয়ার এবং এআই বিশেষজ্ঞদের চাহিদা বাড়তে থাকায় বাড়ছে এই সমস্ত কোর্স পড়ার গুরুত্বও।
সাইবার সুরক্ষা:
বর্তমানে টাকা লেনদেন থেকে তথ্য মজুত করা— সমস্ত কিছুর জন্যই নেট মাধ্যমই ভরসা। কিন্তু মাঝেমধ্যেই দেখা যাচ্ছে, দুষ্কৃতীরা সাইবার হানাদারি চালিয়ে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। খালি হয়ে যাচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। চ্যালেঞ্জের মুখে রাষ্ট্রের সুরক্ষাও। তাই কী ভাবে সাইবার মাধ্যমে সব তথ্য সুরক্ষিত রাখা যায়, তার জন্য পড়ানো হচ্ছে সাইবার সুরক্ষার কোর্স। সংস্থাগুলিতে সাইবার বিশেষজ্ঞদের চাহিদা বাড়ছে।
ডিজিটাল মার্কেটিং:
এখন নিজস্ব কোনও ব্যবসায়িক উদ্যোগকে মানুষের কাছে তুলে ধরা জন্য ভরসা করতে হয় ডিজিটাল মাধ্যমের উপর। এমনকি অতিপরিচিত সংস্থাগুলিও ডিজিটাল মাধ্যমে তাদের উপস্থিতি জানান দেয়। কারণ, পণ্য বিপণনের জন্য এই মাধ্যম বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই নানা প্রতিষ্ঠানের তরফেও পড়ানো হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সের নানা খুঁটিনাটি।
পরিবেশবিদ্যা বা পরিবেশ বিজ্ঞান:
পরিবেশ বিশেষজ্ঞেরা আগেই জানিয়েছেন, বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে বাঁচতে সুস্থায়ী উন্নয়নই লক্ষ্য হওয়া উচিত। আর তাই বিশ্বের নানা দেশে শুরু হয়ে গিয়েছে পরিবেশ সংক্রান্ত নানা আলোচনা। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও চালু হয়েছে পরিবেশ সংক্রান্ত একাধিক কোর্স।
উল্লিখিত কোর্সগুলি ছাড়াও ইউআই বা ইউএক্স ডিজ়াইন, সাপ্লাই চেন অ্যান্ড লজিস্টিক্স ম্যানেজমেন্ট, হেল্থকেয়ার টেকনোলজি, প্যারামেডিক্যাল, এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি, মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোর্সের চাহিদাও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সময়ের সাথে বদলে যাচ্ছে চাকরির ধরণ। তাই উপরোক্ত বিষয়ে পড়ালেখা করলে Job Market আপনি পিছিয়ে পড়বেন না।
লেখক: রম্য রহিম।
Comments
Post a Comment