এক উদ্ভট রাস্ট্রের গল্প:
বিশ্বের বুকে যদি এক বোকা রাষ্ট্রের নাম আসে তবে সবার আগে যে দেশটির নাম আসবে তা হল পাকিস্তান। একদিকে যখন ইরান আক্রান্ত, আমেরিকা - ইসরাইলী যৌথ হামলায় তাদের বড় বড় মাথা গুলো হারিয়ে তারা যখন নেতৃত্ব শূন্যতায় ভুগতেছে তখন তারা আফগানিস্তানে এক অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ বাধিয়ে রেখেছে। গত ১৬ই মার্চ পবিত্র শবে কদঁর রাত্রে কাবুলের এক হাসপাতালে আক্রমন চালিয়ে প্রায় ৪০০ আফগানকে নিহত করেছে। চিন্তা করে দেখেন রমজান মাসে যখন সবার সংযত থাকা উচিত তখন এই দুই দেশ নিজেরাই মারামারিতে ব্যাস্ত। কী বিচিত্র এদের মন মানসিকতা। সামান্য সীমান্ত সংঘাত থেকে এই যুদ্ধের সূত্রপাত। এই যুদ্ধে মার্কিন ঘুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সার্পোট করেছে। বোকা পাকিস্তান ভবিষ্যতের কথা না ভেবেই এক অসম যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। তারা ভূলে গেছে ইরানের পর পরবর্তী টার্গেট হচ্ছে পাকিস্তান।
ইরান যদি যুদ্ধে হেরে যায় Greater Israel তৈরি হওয়া তখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এর পরে ভারত বলবে অখন্ড ভারত তৈরি করতে হবে। আর অখন্ড ভারতের প্রধান বাধা হল পাকিস্তান। ভারতকে সামরিক ভাবে মোকাবেলা করতে পারে শুধু পাকিস্তান। কেননা দক্ষিণ এশিয়াতে শুধুমাত্র ভারত আর পাকিস্তানের আছে পারমাণবিক বোমা।
ইরানের পরে ভারত বলবে পাকিস্তান প্রতিবেশীদের জন্য বিপদজনক, উদাহরন হিসেবে পাক আফগানিস্তানের বর্তমান অযথা যুদ্ধের কথা বলবে।( আমি এই যুদ্ধকে অযথা যুদ্ধ বলবো কেননা এই যুদ্ধে কারও কোন লাভ নেই)। পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমা প্রতিবেশী ও সমগ্র বিশ্বের জন্য হুমকি স্বরূপ, মাথা মোটা পাকিস্তানীরা কখন কোন দেশে আক্রমণ চালিয়ে বসে তার কোন ঠিক নেই। এই অযুহাত দিয়ে ভারত বিভিন্ন আন্তজাতিক ফোরাম ও জাতিসংঘে এই বিষয়ে অভিযোগ তুলবে। আর্ন্তজাতিক আণবিক কমিশন পাকিস্তানকে পারমাণবিক নিরস্ত্রিকরনের জন্য ইরানের মতন দফায় দফায় মিটিং করবে। আমেরিকা তাদের সেই পুরনো অস্ত্র Sanction ব্যাবহ্নার করবে, এমনিতেই নাজুক পাকিস্তানের অর্থনৈতি আরও নাজুক হবে, মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে। পাকিস্তান আবার নিজ দেশের মানুষদের সাথেই মিলে মিশে থাকতে পারে না। নাঁক উচু পাঞ্জাবীরা অন্য জাতিকে নিজেদের অধীনে রাখতে পছন্দ করে। যেমনটি তারা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানীদের(বর্তমান বাংলাদেশ) এর সাথে করে পুরো একটি দেশ হারালো। পূর্ব পাকিস্তান হারিয়েও যেন তাদের শিক্ষা হয় নি। বেলুচদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরনের জন্য বেলুচিস্তানের জনগন পাকিস্তানের সাথে থাকতে চায় না, তারাও স্বাধীনতা চায়। বেলুচদের সাথে দুদিন পর পর সংঘর্ষ হয়। তাই পাকিস্তান নিজেই একটি জীবন্ত অগ্নিকুন্ডের উপড়ে আছে। ইরান যদি হেরে যায় পাকিস্তানের অভ্যন্তরীন সমস্যা বেড়ে যাবে। বৈদেশিক হস্তক্ষেপে তা আরো বেড়ে যাবে। আলেবানরা বিভিন্ন স্থানে আত্মঘাতী হামলা চালাবে। ভারত এই সুযোগটাই কাজে লাগাবে। পুরো বিশ্বের কাছে বলে বেড়াবে পাকিস্তাননের পারমাণবিক বোমা পুরো বিশ্বের কাছে বিপদজনক। তাই মার্কিন চাপ বাড়তে থাকবে। পশ্চিমারা বলবে .পারমানবিক বোমার জঙ্গিদের হাতে চলে যাবে যা পুরো বিশ্বের জন্য খুবই বিপদজনক। আমেরিকা বলবে পাকিস্তানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো তাদের নিযন্ত্রনে আসা উচিত। পশ্চিমারা সবাই আমেরিকার সাথে তাল মেলাবে। পাকিস্তান যদি খাওয়া যায় তাহলে চীন পুরোপুরি মার্কিন নজরে তাই ভবিষ্যৎ চীনের আধিপত্য রোধের জন্য দরকার পাকিস্তান দখল। তাছাড়া চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) বা 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' পরিকল্পনা বাতিলের জন্য পাকিস্তান আক্রমন করা বেশ জরুরী, মোদি তার ইসরাইল সফরের সময় বলেছে Israel হচ্ছে Father land, মূলত Greater Israel প্রতিষ্ঠার পর তৈরি করতে হবে পাকিস্তান হামলার পটভূমি। পাকিস্তানের উপড়ে আফগান। প্বার্শ্বে চির শত্রু ভারত আর বামে দিকে আছে ইরানের পাপেট সরকার ( ইরান হেরে গেলে বসবে পাপেট সরকার)। এই ৩ দিক দিয়ে আক্রমন করলে পাকিস্তানের পক্ষে বেশী দিন টিকে থাকা সম্ভব নয় আর ঘরেতো রয়েছে বেলুচ বিদ্রোহী, এই আফগান যুদ্ধ করে পাকিস্তান তাদের রসদ আস্তে আস্তে ফুরাচ্ছে। বোকা পাকিস্তানীরা . আমেরিকার পরামর্শে যুদ্ধ করে নিজেদের শক্তি হ্রাস করা ছাড়া আর কিছুই না। অখন্ড ভারত নিয়ে কথা বলতেছি তো এই অখন্ড ভারত কী তা একটু বিশ্লেষণ করি, আজকাল অবশ্য কেউ লেখা পড়তে চায় না সবাই reel দেখায় ব্যাস্ত। একটু সময় নিয়ে লেখা গুলো পড়েন কেননা today অথবা tomorrow আমাদের এই সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
“অখণ্ড” অর্থ ভাঙনহীন বা অবিভক্ত, আর “ভারত” মানে ভারতীয় উপমহাদেশ।
অর্থাৎ, “অখণ্ড ভারত” বলতে বোঝায়—একটি অবিভক্ত ও ঐক্যবদ্ধ ভারতীয় অঞ্চল।
অখণ্ড ভারতের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ
“অখণ্ড ভারত” ধারণা অনুযায়ী ভারতীয় উপমহাদেশের যেসব দেশকে অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়, সেগুলো নিচে দেওয়া হলো:
মূল দেশসমূহ (প্রায় সব ধারণায় অন্তর্ভুক্ত)
India (ভারত)
Bangladesh (বাংলাদেশ)
Pakistan (পাকিস্তান)
Nepal (নেপাল)
Bhutan (ভুটান)
Sri Lanka (শ্রীলঙ্কা)।
| ভারতের নতুন সংসদ ভবনে ‘অখণ্ড ভারতের’ এই মানচিত্র বসানো হয়েছে, ২০২৩ এর ছবি। ছবি: এএনআই মানচিত্রে অখন্ড ভারত। |
এই দেশ গুলোর মধ্যে পাকিস্তানকে খেয়ে দিলে অন্য দেশ গুলোকে কূটনৈতিক ভাবে চাঁপে রাখলেই হবে।ভারতের জন্য হুমকি শুধুমাত্র পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভূটান এই সকল দেশ ভারতের জন্য মাথা ব্যাথার কারণ না।
পাকিস্তানকে যুদ্ধ বা কূটনৈতিক ভাবে পরাস্ত করতে পারলে ভারতের আর কাশ্মীর নিয়ে টেনশন করতে হবে না। তাই ভারত তার নিজের ভবিষৎ এর জন্য পথের কাটা পাকিস্তানকে সরিযে দিলেই হবে। ইরান যুদ্ধে পাকিস্তানকে ব্যাস্ত রাখা হয়েছে আফগানিস্তানের সাথে অযথা যুদ্ধে উস্কে দিয়ে।
এই লেখা যখন লিখতেছি তখন একের পর এক মাথা হারাচ্ছে ইরার। প্রথম আঘাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইমাম খামেনী, এই মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতা ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। যেকল শীর্ষ নেতা ইরান হারিয়েছে তা নিচে দেওয়া গেল:
নিহত শীর্ষ নেতাদের তালিকা:
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
আলী লারিজানি: সাবেক নিরাপত্তা প্রধান ও ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি খামেনির মৃত্যুর পর কার্যত দেশ পরিচালনা করছিলেন।
আলী শামখানি: খামেনির সিনিয়র উপদেষ্টা এবং শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
আজিজ নাসিরাদেহ: ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
আব্দোলরাহিম মৌসাভি: সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ।
মোহাম্মদ পাকপুর: ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এর কমান্ডার।
মোহাম্মদ শিরাজী: খামেনির সামরিক কার্যালয়ের প্রধান।
গোলামরেজা সোলিমানি: বাসিজ মিলিশিয়ার প্রধান।
ইসমাইল খাতিব: ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী। আর একটু আগে খবরে আসলো ইসলামী বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নায়িনি নিহত। এভাবে একের পর বড় বড় মাথা হারানোর ইরান স্বাভাবিক ভাবেই দূর্বল হয়ে পড়বে। নেতৃত্বশুন্যতা তৈরি হবে। ইরানের জনগণ এমনিতেই এই কাঠ মোল্লাদের উপড় প্রচন্ড বিরক্ত, একের পর এক মার্কিন অর্থনৈতিক Sanction এ ইরানের অর্থনীতি বলতে কিছুই নেই, বেকারত্ব, উচ্চ মূলস্ফীতি, জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বি হওয়াতে এই শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এমনিতেই খ্যাপা। দুদিন পর পর সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসতেছে কেননা মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি দরকার। এর পরে আছে কে মাথায় হিজাব দিয়েছে নাকি দেয় নাই, কার মাথার চুল দেখা গেছে এই গুলো নিয়ে কাঠ মোল্লা সরকারের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি। আর ঐ দিকে ইরানের থেকে আয়তনে প্রায়৭৫ গুণ ছোট ও জনসংখ্যায় ৯ গুন ছোট ইসরাইল মাইক্রোসফট আর গুগলের সহায়তায় AI প্রযুক্তিতে বিশ্বে নাম্বার ১ হয়ে উঠেছে। বলতে গেলে ইসরাইল হাজার মাইল দূর থেকে যাকে টার্গেট করে তাকেই শেষ করে দিচ্ছে। ইরানের অত্যাধুনিক মিসাইল গুলো হয়তো ইসরাইলের আয়রন ডোম ভেদ করে দু একটা আঘাত হানে কিন্তু কয়জন ইসারাইলী শীর্ষ নেতা তো দূরের কথা মধ্যম সারীর নেতাকে তারা আঘাত করতে পেরেছে। আবার ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র গুলো সিরিয়া, জর্ডানের মাথার উপর দিয়ে যাবার অর্ধেক ক্ষেপনাস্ত্র ওরাই ভূপাতিত করে দেয়। অপরদিকে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকার কারনে প্রায় ১৭০০ কি.মি. দূর থেকে এসে ইসরাইলী বিমানগুলো তেহরানের অবস্থা বারোটা বাজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। কী সুন্দর ইরানের আক্রমন প্রতিহত করতেছে আরব মুসলিম রাষ্ট্র সমূহ আর ইরানকে মারার জন্য নিজেদের আকাশ সীমা খুলে দিচ্ছে। কী বিচিত্র আমরা। ইরান যেহেতু একা তাই হিজাব টিজাবের পিছনে না লেগে এতদিনে পারমানবিক বোমা তৈরি করে ফেললে কেউ ইরানকে নিয়ে এত ঘাটাবার সাহস পেতনা। উক্তর কোরিয়া কাছে পারমানবিক শক্তি আছে বিধায় কেউ ভয়ে কিমের কাছেও যায় না। ইরান অনেক আগেই পারমানবিক বোমা তৈরি করে ফেলতে পারতো কিন্তু ঐ যে একটা শব্দ, হ্যা এই ফতোয়াটা দিয়েছিলেন সিনিয়র খামেনী। পারমানবিক বোমা নাকি মানব জাতির জন্য ক্ষতিকর। আসল জিনিসই যখন তৈরি করতে নিষেধ করে গেছেন উনি তাহলে পারমানবিক শক্তি নিয়ে এত গবেষণা টবেষণা করে পশ্চিমাদের চক্ষুশীল হবার জন্য তো প্রয়োজন ছিল না। এমনিতেই যখন এত সব Sanction দিয়ে ইরানকে এক ঘড়ে করে দিয়েছে পুরো বিশ্ব থেকে তখন পারমানবিক বোমা তৈরি করেই ফেলতো, জনগণ তো এমনিতেই স্বচ্ছন্দ জীবন যাপন করতে না পেরে বর্তমান শাসন ব্যবস্থার প্রতি এমনিতেই বিরক্ত পারমানবিক শক্তি অর্জন করলে অন্তত্ব যুদ্ধটা এড়াতে পারতো।এই যুদ্ধ কিন্তু তেলের জন্য নয়। কেননা ভেনিজুয়েলাতে পাপেট সরকার বসিয়ে আমেরিকা ইতিমধ্যে তেলের একটা বিশাল খনি দখল করে ফেলেছে। এই যুদ্ধের মূল থিমই হচ্ছে Greater Israel যা নিয়ে আমি আগেও লিখেছি। ট্রাম্প আবার বাইবেলের বানী শুনিয়ে ধর্মযুদ্ধ বা শেষ যুদ্ধ হিসাবে ঘোষণা করেছে। আরব দেশ গুলো বোকার মতন করে ইসরাইল আমেরিকাকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু তারা ভুলে গেছে ইরানের পরাজয় মানে Greater Israel এর মানচিত্রে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া। ইরান আসলে বোকা যাদের জন্য এত দিন বৈরিতা সৃষ্টি করলো তারাই নিজ ভূমিতে ঘাটি তৈরি করে দিয়েছে ইরানকে মারার জন্য। এর থেকে নিজ অবস্থান থেকেই আমেরিকা ইসরাইলের সাথে প্রকাশ্যে বা গোপনে সম্পর্ক করতো হয়তো ঈদ টা ভালভাবে করতে পারতো। হয়তো স্বাধীন দেশ হিসাবে এটাই তাদের শেষ ঈদ। ও আরেকটু লিখে লেখাটি শেষ করতেছি।কী বোকা ইরান। Greater Israel প্রতিষ্ঠার জন্যে ইসরাইল ও আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেছে সেই Greater Israel এর মানচিত্রে কিন্তু ইরান নাম, এই পতাকার তলে আছে পুরো পশ্চিম তীর (West Bank),গাজা স্ট্রিপ,জর্ডান এর কিছু অংশ,লেবানন এর দক্ষিণাংশ,সিরিয়া এর গোলান হাইটস ও কিছু কেন্দ্রীয় অংশ,ইরাক এর পশ্চিমাংশ,সৌদি আরব এর উত্তরাংশ,মিসর এর সিনাই উপদ্বীপ পর্যন্ত। কিছু দিন আগে ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এই কথা জোড়ালো ভাবে বলে বলেছে। সব আরব রাষ্ট্র সমূহের বৃহক্তর অংশ এই মানচিত্রে পড়েছে কিন্তু ইরান কোন অংশ নাই। তাহলে ইরানের প্রয়োজন কী আমেরিকা ইসরাইলের সাথে সংঘাতে জড়ানো। অন্যান্য আরব রাষ্ট্রের মতন গোপনে বা প্রকাশ্যে আমে- ইসরাইলের সাথে সর্ম্পকে জড়ানো। যে Greater Israel নিয়ে এত লেখালেখি এই বিষয়ে আরবরা উদ্বেগ না। তার মানে তারা এই পরিকল্পনাকে মেনে নিয়েছে। বলতে গেলে আরবদের জন্য ইরান যুদ্ধ জড়িয়ে গেছে। আর যাদের জন্য এই যুদ্ধ সেই আরব রাষ্ট্র সমূহ তাদের ঘাটি ব্যবহার করে উল্টা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। কী বিচিত্র এই বিশ্ব, যাদের জন্য করে চুরি তারাই বলে চোর।
| বাইবেলে বর্ণিত Greater Israel. Greater Israel নিয়ে লেখা Link: https://ruposhiban.blogspot.com/2025/06/blog-post.html |
লেখকঃ রম্য রহিম।
Comments
Post a Comment